BhaktiVed

Hanuman Chalisa Chaupai 25 Meaning in Bengali

Chalisa2023-10-26

Hanuman festivals feature grand recitations of the Shree Hanuman Chalisa in temples.

Hanuman Chalisa Chaupai 25 in Bengali with Meaning & Analysis

নাসৈ রোগ হরৈ সব পীরা।
জপত নিরন্তর হনুমত বীরা॥

সারানুবাদঃ বীর হনুমানের নাম সবসময় জপ করলে অসুখ দূর হয় এবং সমস্ত যন্ত্রণা দূর হয়।

ব্যাখ্যা : ত্রিতাপ জ্বালার আধিভৌতিক এই সব কায়িক ও মানসিক অসুখ, যন্ত্রণা, সঙ্কটময় জীবনে আমাদের সবাইকে কম-বেশি ভোগ করতে হয়। মানুষের অতীতের করা অনুশাসনহীন ও লাগামছাড়া ইন্দ্রিয় লালসার পরিতৃপ্তির বিরামহীন জীবনযাত্রারই পরিণাম এই সব অসুখ, যন্ত্রণা যা সময় সময় অসহনীয়ও হয়। প্রকৃতপক্ষে আমাদেরই করা কর্মফল ভাল বা মন্দ ভোগের জন্যই গ্রহনক্ষত্রসমূহ অনুকূল বা প্রতিকূল অবস্থায় অবস্থান করে। শনিদেবের সাড়ে সাত দশা বা শনির দোষ আমাদের সবসময় ভয়যুক্ত করে।

আমরা সবাই এসবের থেকে মুক্তি চাই। আমি আগেই বলেছি যে, হনুমান চালীসার অনুষ্ঠান করলে, নিয়মিত তাঁর স্মরণ নিলে, এই সব অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসা যায়। প্রথমে শ্রীগোস্বামী তুলসীদাসজীর নিজেরই উল্লেখ করা এক ঘটনা যা তাঁর নিজের জীবনে ঘটেছিল তা জানাই।

গোস্বামীজী সর্বদাই শ্রীহনুমানজীর স্মরণে থাকতেন। একবার, কোনো এক সময়ে গোস্বামীজী বায়ুরোগে আক্রান্ত হন এবং তাঁর দুই হাতেই অসহ্য যন্ত্রণা শুরু হয়। অনেক বৈদ্য ও ডাক্তারের সাহায্য নিলেও সেই যন্ত্রণা কমার বদলে আরও বাড়তে থাকে। ব্যথা অসহ্য হওয়ায় গোস্বামীজী অত্যন্ত আর্তির সাথে শ্রীহনুমানজীর স্তুতি ‘হনুমান বাহুক’ পাঠ করেন যা তাঁরই রচিত এবং তাঁর কাছে এই যন্ত্রণা উপশমের জন্য কাতর প্রার্থনা করেন। বায়ুপুত্র শ্রীহনুমানজীর কৃপায় তাঁর সেই যন্ত্রণা ধীরে ধীরে কমে যায় এবং তিনি সম্পূর্ণরূপে বেদনা মুক্ত হন। তাই দীর্ঘস্থায়ী রোগ বা যন্ত্রণায় ‘হনুমান বাহুক’ পাঠের বিশেষ মাহাত্ম্য আছে — মনের আর্তি বিনতি সহকারে জানিয়ে শ্রীহনুমানজীর প্রিয় লাড্ডু নিবেদন করে এর পাঠ করতে হবে ঘি-যুক্ত প্রদীপ জ্বালিয়ে। এই লেখকের জীবনে ঘটা একটি ঘটনা ছোট করে উল্লেখ না করে পারছি না। ঘটনার সময় ১৯৯৮ সালের মাঝামাঝি। ১৯৯৫ সালে গুরুর কাছে দীক্ষার পর তাঁরই আদেশ মতো জপ, ধ্যান ইত্যাদি চলছিল। শ্রীমহাবীরের নামও নিয়মিত নেওয়া হত। যাই হোক, হঠাৎ করে মাঝে মাঝেই জ্বর হওয়া শুরু হলো এবং তা চলেও যেতো। একদিন প্রচণ্ড জ্বর ও যন্ত্রণা অসহ্য হয়ে ওঠায় শ্রীমহাবীরের নাম সারারাত ধরে নিয়েছিলাম এবং তাও বিছানায় শুয়ে শুয়ে। পরদিন সেই ক্রনিক জ্বর সারলো, তারপর বহুদিন কোনো জ্বর হয়নি। আগেই বলেছি যে, বায়ুপুত্র হবার কারণে তাঁর তিন লোকে অবাধ গতি এবং তাঁর স্মরণকারীর কাছে তিনি মুহূর্তেই পৌঁছে যেতে পারেন।

শ্রীহনুমান চালীসার পাঠ ও শ্রীহনুমানজীর স্মরণ যে মানুষের সঙ্কট তাৎক্ষণিকভাবে কাটিয়ে দেয় তার চাক্ষুষ প্রমাণ অনেক আছে। শুধু তাই নয়, তাঁর প্রতি অবিশ্বাস নিয়েও সঙ্কটের গভীরতার কথা মাথায় রেখে তাঁর স্মরণ সাক্ষাৎ মৃত্যুমুখ থেকে ফিরিয়ে নিয়ে এসেছে, সেই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আমার পরিবারের মধ্যেই আছেন। শ্রীহনুমানজীর পূজার বিশেষ মাহাত্ম্য আছে মঙ্গলবার ও শনিবার। মঙ্গলবার তাঁর জন্মদিন এবং শনিবার তাঁর বিজয়দিন। শনিবার শ্রীহনুমানজী শনিদেবের উপর জয় প্রাপ্ত হয়েছিলেন।

শ্রীহনুমানজীর শনিদেবের উপর প্রভাবের কাহিনী আমরা বিভিন্ন গ্রন্থসাহিত্যে পেয়ে থাকি। এইরকম দুটি প্রসঙ্গ এখানে সংক্ষেপে উল্লেখ করছি। (এক) লঙ্কেশ রাবণ তাঁর অমিত বিক্রম ও প্রভাবে ত্রিভুবন জয় করেছিলেন। সব দেবতাদের তিনি আটক করে তাঁদের নানাভাবে অপদস্থ করতেন।

তিনি শনিদেবকে তাঁর নিজের বাসভবনের এক স্তম্ভের নিচে আটকে রেখেছিলেন। শ্রীহনুমানজী লঙ্কা দহন কালে যখন সমস্ত লঙ্কাপুরী তোলপাড় করছিলেন, তখন হঠাৎ এক জায়গায় তিনি স্তম্ভের ভিতর থেকে আওয়াজ শুনতে পান। এক অদ্ভুত বেদনা ও আর্তিভরা আওয়াজ তাঁকে স্তম্ভের বিনাশে বাধ্য করে এবং তখনই তাঁর শনিদেবের সঙ্গে দেখা হয়। শনিদেব শ্রীহনুমানজীকে তাঁকে উদ্ধারের জন্য প্রার্থনা করেন এবং শনিদেবকে তিনি স্তম্ভের নিচ থেকে উদ্ধার করেন।

শনিদেব কৃতজ্ঞতা জানানো তো দূরের কথা, বরং শ্রীহনুমানজীকে বললেন, “এবার আমি আপনার মাথার উপর বসবো।” শ্রীহনুমানজী অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, “এটা কৃতজ্ঞতা জানানোর কোন পদ্ধতি ?” শনিদেব তাঁর কথায় অনড় হলে শ্রীহনুমানজী তাঁর কাছে জানতে চান যে তিনি কতদিন তাঁর মাথার উপর বসবেন। শনিদেব উত্তরে বললেন, “দিন নয়, আমি সাড়ে সাত বছর পর্যন্ত থাকবো।” শ্রীহনুমানজী তাঁর স্বভাবসিদ্ধ মুচকি হাসিতে উত্তর দিয়ে বললেন, “ঠিক আছে।” বল ও বুদ্ধির নিধান শ্রীহনুমান কিছু দূর গিয়ে এক মস্ত বড় পাহাড় (বিশাল পাথরের চাঁও হতে পারে) নিজের মাথার উপর রাখলেন এবং আবার চলতে লাগলেন।

আবার কিছুদূর গিয়ে ফের একটা পাহাড় তাঁর মাথায় নিলেন। শনিদেবের উপর এই বিশাল চাপ তাঁকে কাতর করে তুলল এবং শনিদেব জানতে চাইলেন, “এটা কি হল ?” শ্রীহনুমানজী অত্যন্ত বিনীতভাবে বললেন, “আমার মাথা, আমি যা খুশি রাখতে পারি।” শনিদেব বললেন, “তা ঠিক, কিন্তু রাখার আগে আমার কথাটা কি একবার ভাবার দরকার ছিল না?” শ্রীহনুমানজী চলতে চলতে বললেন, “আপনি কি আমার কথা ভেবেছিলেন ?” যন্ত্রণা ক্রমশ অসহ্য হওয়ায় শনিদেব বললেন, “মহারাজ! দয়া করে আমায় ছেড়ে দিন।”

শ্রীহনুমানজী বললেন, “আমি এক শর্তে আপনাকে ছাড়তে পারি। কথা দিন শনিবার দিন যে আমার দর্শন করবে আপনি তাকে একদম যন্ত্রণা দেবেন না বা বিপদে ফেলবেন না।” শনিদেব বললেন, “আমি কথা দিচ্ছি এরকমই হবে।”

এরকম মান্যতা আছে যে, শনিবার দিন শ্রীহনুমানজীর কেবল মাত্র দর্শন মানুষকে শনিদেবের প্রকোপ থেকে বাঁচিয়ে দেয়। তার উপর তাঁর অর্চন, বন্দন ও চালীসা পাঠ করলে তো কথাই নেই। (দুই) শ্রীহনুমানজী প্রায়ই তাঁর প্রিয় রামসেতু দর্শন ও পরিক্রমা করতেন এবং সমুদ্রের তটে প্রভু শ্রীরামের ধ্যানে মগ্ন হয়ে বসে থাকতেন। এই ঘটনা প্রভু শ্রীরাম ও তাঁর পরিকরদের অপ্রকট হওয়ার অনেক পরের ঘটনা।

এইরকমই একদিন সমুদ্রতটে বিকেলবেলায় শ্রীহনুমানজী ধ্যানমগ্ন অবস্থায় যখন অবস্থান করছেন, ঠিক তখনই শনিদেব ঘুরতে ঘুরতে সেই সমুদ্রতটে উপস্থিত হয়েছেন। নিজের শক্তি ও পরাক্রম তাঁকে সবসময় শক্তি দেখানোর জন্য প্ররোচনা দিত।

শনিদেবের দৃষ্টি হঠাৎ শ্রীহনুমানজীর উপর পড়লে শনিদেব তাঁকে বললেন, “হে বানর, আমি তোমার সঙ্গে লড়তে চাই। তৈরি হয়ে যাও…” শ্রীহনুমানজী তাকিয়ে দেখেন অত্যন্ত কালো, কদর্য চেহারার এক পুরুষ। শ্রীহনুমানজী অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে তাকে বললেন, “আপনি কে? এখানে কি কারণে আসা হলো?” শনিদেব বললেন, “আমি পরম তেজস্বী সূর্যদেবের মহাপরাক্রমী পুত্র শনি। আমার নাম শুনলেই লোকে ভয়ে থর থর করে কাঁপতে থাকে। তোমার বল আর পৌরুষের কথা আমি অনেক শুনেছি এবং তাই তোমার পরীক্ষা নিতে চাই। সাবধান হয়ে যাও, আমি তোমার রাশিতে প্রবেশ করতে যাচ্ছি।” শ্রীহনুমানজী আবারও অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে বললেন, “হে শনিদেব, আমার বয়স হয়ে গিয়েছে আর তাছাড়া আমি এখানে আমার পরম আরাধ্য ইষ্টদেব প্রভু শ্রীরামের ধ্যান করতে বসেছি।

আপনি বরং অন্য কোথাও চলে যান এবং আমার এই ধ্যানে বিঘ্ন ঘটাবেন না।” একথা শুনে শনিদেব অত্যন্ত অহংকারের সঙ্গে বললেন, “আমি একবার কারোর সঙ্গে যুদ্ধ করার সঙ্কল্প করলে, তাকে পরাজিত না করে সেখান থেকে সরে যাই না।”

শ্রীহনুমানজী তাঁকে আবার অনুরোধ করলেন এই যুদ্ধ থেকে বিরত থাকার জন্য, কিন্তু শনিদেব তাঁর কথায় কোনো উত্তরই দিলেন না। তখন শ্রীহনুমানজী বললেন, “ঠিক আছে, আপনার যখন এই রকম ইচ্ছা তখন তাই হোক।” এই বলে শ্রীহনুমানজী প্রভুকে স্মরণ করে মুহূর্তের মধ্যে তাঁর লেজ দিয়ে শনিদেব কিছু বোঝার আগেই তাঁকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেললেন।

শুধু মাথা এবং শরীরের উপরের কিছু অংশ বাদ দিয়ে। শনিদেব অনেক চেষ্টা করেও নিজেকে মুক্ত করতে পারলেন না। শ্রীহনুমানজী এবার শনিদেবকে বললেন, “চলুন শনিদেব, এবার রামসেতুর পরিক্রমা করা যাক আর অপার আনন্দ আপনিও উপভোগ করুন।” এই কথা বলে শ্রীহনুমানজী সেই রামসেতুর এক প্রান্ত থেকে আর এক প্রান্ত কখনও লাফিয়ে, কখনও দৌড়ে আবার কখনও লাফিয়ে অনেক উঁচু থেকে নিচে নামলেন এবং প্রতিবারই তাঁর লেজ সেতুর কঠিন শিলায় আছাড় খেতে লাগলো।

লেজের মধ্যে বাঁধা পড়া শনিদেবের অবস্থা তখন দেখার মতো। দেহের হাড়গোড় প্রায় ভাঙ্গার অবস্থায় এবং দেহের বিভিন্ন জায়গা দিয়ে রক্ত ঝরে পড়ছে। যন্ত্রণায় শনিদেব এত কাতর হয়ে পড়লেন যে, তিনি অত্যন্ত করুণ স্বরে শ্রীহনুমানজীকে বললেন, “হে করুণাময় ভক্তরাজ! কৃপা করুন। আপনার শক্তির সঠিক আন্দাজ আমার ছিল না। এবার আমায় মুক্ত করুন।”

করুণামূর্তি শ্রীহনুমানজী দাঁড়িয়ে পড়লেন। রক্তাক্ত শনিদেবের অবস্থা তাঁকে বিচলিত করলো। শ্রীহনুমানজী শনিদেবকে বললেন, “আপনাকে আমি মুক্ত করতে পারি, কিন্তু আমার এক শর্ত আছে।” শনিদেব কাতরস্বরে বললেন যে, তিনি সব শর্ত মানতে রাজী আছেন। তখন শ্রীহনুমানজী বললেন, “কথা দাও, শনির সাড়ে সাত বছরের দশাতেও তুমি আমার ভক্তদের কোনো রকম যন্ত্রণা বা কষ্ট দেবে না।” শনিদেব কথা দিলেন, “হে ভগবন! আমি আপনার ভক্তদের কখনও কোনো কষ্ট দেব না।” এই ঘটনার পর শনিদেব আর কখনও শ্রীহনুমানজীর মুখোমুখি হননি।

ఇవి కూడా చదవండి

Chalisa – చాలీసాచాలీసాలు, హిందూ ధర్మప్రకారం మూడుతల్లుగా రూపొందించే దివ్యాత్మ ప్రార్థనా స్తోత్రాలు, ఆధ్యాత్మిక చర్యలులో ప్రముఖ స్థానం ధరించుకొనుచున్నాయి. ఈ స్వర్గీయ రచనలు, కవిత్వ సౌందర్యం మరియు ఆళ్…హనుమాన్ చాలీసా | Hanuman Chalisa Lyrics“శ్రీ హనుమాన్ చాలీసా ” అనగా హనుమంతుని నలుబది: నలభై చౌపాయిలలో శ్రీ హనుమంతుని కీర్తిని వివరించు స్తోత్రము. దీనిని గోస్వామి తులసీదాసు అవధీ (హిందీ) భాషలో రచించారు. ప్రతి జీవియు లోకమున …Hanuman Chalisa In Telugu – హనుమాన్ చాలీసాగోస్వామి తులసీదాసు అవధీ (హిందీ) భాషలో రచించిన హనుమాన్ చాలీసా ను మనం ఎక్కువగా వింటూ ఉంటాము. సుందరదాసు శ్రీ ఎం.ఎస్. రామారావు గారు 1972–74 మధ్య మనందరి కోసం తెలుగులో రచించిన హనుమాన్ చా…Hanuman Chalisa Pdf, Shri Hanuman Chalisa Lyrics, Jai Hanuman Chalisa Meaning in EnglishPerhaps the most powerful meditation or the most popular hymn in the land of India is the Hanuman Chalisa. Breaking all barriers of diversity, everyone in India can either recite t…Hanuman Chalisa Chaupai 1 Meaning in EnglishThe Hanuman Chalisa is a revered devotional hymn dedicated to Lord Hanuman. Hanuman Chalisa Chaupai 1 in English with Meaning & Analysis Hanuman Chalisa Chaupai 1 Why Monkey as God…Hanuman Chalisa Chaupai 2 Meaning in EnglishDevotees around the world recite the Hanuman Chalisa Lyrics with deep reverence. Hanuman Chalisa Chaupai 2 in English with Meaning & Analysis Hanuman Chalisa Chaupai 2 Son of Wind …